আমাদের মধ্যে অনেকেরই স্বপ্ন থাকে যে আমি অনলাইন থেকে ইনকাম করব । কিন্তু আমাদের অনেকেরই এই স্বপ্ন, স্বপ্নই থেকে যায় বাস্তবে আর রূপ নেয় না । আর এর কারণ হচ্ছে আমরা ঠিকমত আমাদের লক্ষ্য কে কাজে লাগাতে পারিনা আবার দেখা যায় অনেকেরই আর্থিক সমস্যা থাকে অথবা অন্য কোন সমস্যা থাকতে পারে। মানে একেক জনের একেক রকম সমস্যা থাকতে পারে যার জন্য তারা তাদের এই স্বপ্ন টাকে কিংবা লক্ষ্য টাকে ঠিক ভাবে পূরণ করতে পারেনা । তাই আপনি যদি আপনার এই স্বপ্ন টাকে সত্যিকারে রূপ দিতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মন দিয়ে পড়ুন । আজকের এই আর্টিকেলের মধ্যে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব যে কিভাবে আপনারা খুব সহজে আপনার স্মার্টফোনটিকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে অনলাইন থেকে আয় করবেন ।




মোবাইল দিয়ে কিভাবে আয় করবেন

ইন্টারনেট থেকে আয় করতে হলে আমাদের সর্বপ্রথম যেটি মাথায় আসে সেটি হচ্ছে, একটি কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট কানেকশন । আসলে অনলাইনে এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো আপনারা এই কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ বাদে করতে পারবেন, তবে ইন্টারনেট কানেকশন আপনার যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়বে আপনি অনলাইন থেকে আয় করার জন্য যে কাজই করেন না কেন আপনার ইন্টারনেট কানেকশন অবশ্যই থাকতে হবে। আপনারা যারা ভাবছেন আমার তো কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ নেই তাহলে আমি কি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারব না, আপনি অবশ্যই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন, আপনার হাতে যে মুঠোফোনটি রয়েছে সেটিকে ব্যবহার করে আপনি অনলাইন থেকে খুব সহজে আয় করতে পারবেন । তবে অনলাইন থেকে আয় করতে চাইলে আপনার মধ্যে থাকতে হবে প্রবল ইচ্ছাশক্তি এবং সঠিক লক্ষ্য, যে করেই হোক আমাকে অনলাইন থেকে ইনকাম করতেই হবে এরকম প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকলে আপনি কেবল ইনকাম করতে পারবেন । অনলাইনে বর্তমানে এমন অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো চাইলে আপনি আপনার স্মার্টফোনটিকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজে করতে পারেন, এমন কিছু জনপ্রিয় কাজ হচ্ছে, ব্লগিং, ইউটিউবিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং , মূলত আমরা আজকে এ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব ।



ব্লগিং করে কিভাবে আই করবেন

ব্লগিং মানে হচ্ছে সাধারণত কোন কিছু বিষয়ের উপর লেখালেখি করা । হতে পারে সেটি টেকনিক্যাল কোন বিষয়ে হেলথ রিলেটেড কোন বিষয়ে অথবা স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার ইন্টারনেট, টেকনোলজি, সফটওয়্যার , যে কোন বিষয়ের উপর আপনি ব্লগিং করতে পারেন ।মূলকথা আপনার যে বিষয় নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে লিখতে ভালো লাগে আপনি সেই বিষয়ের উপর লেখালেখি করে ব্লগিং করতে পারেন এবং সেখান থেকে একটা ভালো পরিমাণে আর্নিং করতে পারবেন।

তবে ব্লগিং করতে হলে আপনাদের কিছু নিয়ম-নীতি মানতে হবে এবং আপনাদের মধ্যে ব্লগিং করার মত ইচ্ছা শক্তি এবং ধ্যান-ধারণা থাকতে হবে। আপনার যদি কোন বিষয়ের উপর তেমন একটা অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে আপনি সে বিষয়টি নিয়ে ভাল মত লিখতে পারবেন না আর লিখতে না পারলে আপনি ব্লগিং করতে পারবেন না। তাই ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে যেকোন বিষয়ের উপর আগে ভালোমতো জানতে হবে এরপর আপনি সে বিষয়ের উপর লেখালেখি করতে পারবেন । ব্লগিং করতে আপনাদের কিছু জিনিসের প্রয়োজন পরতে পারে সেগুলো হচ্ছে আপনাদের কাছে যদি কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ থাকে তাহলে সবচেয়ে ভালো হয় ব্লগিং করার জন্য । আর যদি না থাকে তাহলে আপনি আপনার হাতের যে স্মার্টফোনটি রয়েছে সেটিকে কাজে লাগিয়ে ব্লগিং শুরু করতে পারেন কোন সমস্যা নেই ।



ব্লগিং করতে যা যা প্রয়োজন

আপনি যদি একজন ব্লগার হতে চান অথবা ব্লগিং করে অনলাইন থেকে আয় করতে চান তাহলে আপনার সর্বপ্রথম প্রয়োজন পড়বে একটি ওয়েবসাইট । আপনার যদি ওয়েবসাইট না থাকে তাহলে আপনি ব্লগিং করতে পারবেন না তাই ব্লগিং শুরু করার আগে আপনাকে সর্বপ্রথম একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে হবে । ওয়েবসাইট আপনারা দুই ভাবে বানাতে পারেন একটি টাকা দিয়ে এবং অপরটি সম্পূর্ণ ফ্রিতে । আপনার যদি টাকা দিয়ে ওয়েবসাইট বানানোর মতো ক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি টাকা দিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারেন আর যদি টাকা দিয়ে ওয়েবসাইট বানানোর মতো ক্ষমতা না থাকে তাহলে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবেন । এখন আপনাদের মনের মধ্যে প্রশ্ন হতে পারে যে ফ্রিতে যেহেতু ওয়েবসাইট বানানো যায় তাহলে টাকা দিয়ে কেন ওয়েবসাইট বানাবো । এখানে আসলে আমার বলার মতো কিছু নেই আপনারাই ভেবে দেখুন আপনি যদি টাকা দিয়ে কোনো কিছু তৈরি করেন সেটি কেমন হবে আর ফ্রিতে কোন জিনিস তৈরি করলে সেটি কেমন হবে । আসলে টাকা দিয়ে আপনারা এই জন্যই ওয়েবসাইট বানাবেন যাতে করে আপনাদের ওয়েবসাইট গুগলে তাড়াতাড়ি Rank করে এবং সুযোগ সুবিধা বেশি পান । আর আপনি যদি ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানান তাহলে গুগলে এটি কম রেঙ্ক করবে এবং এখানে আপনি সুযোগ সুবিধা কম পাবেন ।



ফ্রিতে কিভাবে ওয়েবসাইট বানাবেন

যেমন আপনারা জানেন যে ওয়েবসাইট দুই ভাবে বানা যায় একটি হচ্ছে টাকা দিয়ে এবং অপরটি হচ্ছে সম্পূর্ণ ফ্রিতে । তো আপনাদের মধ্যে যারা ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানাতে চান তারা আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ মন দিয়ে পূরণ কারণ আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো যে কিভাবে আপনারা খুব সহজে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানাবেন, তো চলুন শুরু করা যাক । সম্পূর্ন ফ্রীতে ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে আপনাদের যে কোনো একটি ওয়েবসাইটের সাহায্য নিতে হবে যার মাধ্যমে আপনারা ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানাবেন । ইন্টারনেটে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোর সাহায্যে আপনারা সেখান থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবেন । তবে সম্পূর্ণ ফ্রিতে ওয়েবসাইট বানানোর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় যে সাইট গুলো রয়েছে সেগুলো হচ্ছে blogger.com এবং Google sites এ দু'টি সাইট সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ফ্রি ওয়েবসাইট বানানোর ক্ষেত্রে । আর এ ওয়েবসাইট দুইটি সবচেয়ে জনপ্রিয় হবার কারণ হচ্ছে এ দুটি গুগলের নিজস্ব প্রোডাক্ট এবং সেই সাথে এ দুটি ওয়েবসাইট গুগোল এর প্রোডাক্ট হওয়াতে সম্পূর্ণ সিকিউর । তবে আপনি যেহেতু ব্লগিং করবেন অতএব আপনাকে blogger.com দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে । Blogger.com এ ওয়েবসাইট তৈরি করা পানির মতো সহজ, শুধু মাত্র কয়েক সেকেন্ডের দরকার, blogger.com এ ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাইলে আপনাকে সর্বপ্রথম যে কোন একটি ব্রাউজার সিলেক্ট করতে হবে এরপর গুগল সার্চ বারে গিয়ে লিখতে হবে blogger.com এটা লেখার পর আপনাদের সামনে সর্বপ্রথম যে অপশনটি থাকবে সেটিতে ক্লিক করুন সেখানে ক্লিক করার পর আপনাকে blogger.com এর অফিশিয়াল একটি পেজ-এ নিয়ে যাবে সেখানে লেখা থাকতে পারে create your new blog সেখানে ক্লিক করে আপনার কাছে আপনার ইনফর্মেশন চাইতে পারে । সেখানে আপনার ইনফর্মেশন যেমন নাম ঠিকানা ইমেইল এড্রেস এসব কিছু চাইতে পারে এরপর আপনার ওয়েব সাইটের টাইটেল, ওয়েবসাইটের ইউ আর এল এসব কিছু দিয়ে দেওয়ার পর সেভ/নেক্সট এ ক্লিক করলে আপনাদের ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যাবে । এরপর আপনারা যদি এখানে পোস্ট করতে চান তাহলে বাম সাইডে উপরে পোস্ট নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করার পর আপনাদের সামনে একটি পেজ ওপেন হবে সেখানে লেখালেখি করার পর ডান সাইডের উপরে পাবলিশ নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করলে আপনার পোষ্টটি পাবলিশ হয়ে যাবে ।



ইউটিউবিং করে কিভাবে আয় করুন

ইউটিউব হচ্ছে একটি ভিডিও শেয়ারিং করার প্ল্যাটফর্ম।এখানে সাধারণত মানুষজন তাদের বানানো বিভিন্ন ধরনের ভিডিও আপলোড করে থাকে এবং সেখান থেকে তারা ভালো পরিমাণে আর্নিং করে।ইউটিউবে আমরা অনেক সময় মজার মজার ভিডিও দেখি এবং সেসব ভিডিও দেখতে দেখতে আমাদের সময় কখন যে পার হয়ে যায় আমরা তা বুঝতেও পারিনা । বর্তমান যুগে ইন্টারনেট থেকে আয় করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হচ্ছে এই ইউটিউব । তাই আপনি যদি একজন ভালো মানের ইউটিউবার হতে পারেন তাহলে খুব সহজে হাজার হাজার টাকা আপনি ইনকাম করতে পারবেন ঘরে বসে । এখন আপনাদের প্রশ্ন হতে পারে ইউটিউবিং করার জন্য তো ভালো মানের ক্যামেরার প্রয়োজন তাই না । অবশ্যই আপনি যদি একজন ভালো ইউটিউবার হতে চান তাহলে আপনার একটি ক্যামেরা থাকতে হবে কিন্তু আপনার যদি ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি আপনার হাতের যে মুঠোফোনটি রয়েছে সেটিকে কাজে লাগিয়ে ইউটিউবিং শুরু করতে পারেন । পরে না হয় ভবিষ্যতে ভালো মানের একটি ক্যামেরা দিয়ে ইউটিউবিং করবেন । এমন অনেক বড় বড় ইউটিউবার রয়েছে যাদের শুরুটা ছিল এই মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে কিন্তু আজ তারা একজন সফল ইউটিউবার তাই আপনিও তাদের মত আপনার হাতের মুঠো ফোনের ক্যামেরা দিয়ে শুরু করুন দেখবেন এক সময় আপনি অনেক বড় ইউটিউবার হবেন আর তখন না হয় ক্যামেরা দিয়ে ইউটিউবিং করবেন ।



ইউটিউবিং করতে কি কি প্রয়োজন

ইউটিউব যেহেতু একটি ভিডিও শেয়ারিং এর মাধ্যম তাই এখানে আপনার কাজ হচ্ছে ভিডিও তৈরি করে আপলোড করা । আর ভিডিও তৈরি করতে গেলে আপনার একটি ভালো মানের ক্যামেরার প্রয়োজন পড়বে তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে যাদের কাছে ক্যামেরা নেই অথবা ক্যামেরা কেনার মত টাকা নেই । এখানে আপনাদের একটা কথা বলে রাখি এমন অনেক বড় বড় ইউটিউবার রয়েছে যারা তাদের ইউটিউবিং ক্যারিয়ার শুরু করেছিল এই মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে কিন্তু আজ তারা অনেক বড় ইউটিউবার । তাই আপনার যদি ক্যামেরা না থাকে তাহলে আপনি আপনার ইউটিউবিং ক্যারিয়ারে এই মোবাইল ফোনের ক্যামেরা দিয়ে শুরু করতে পারেন । এরপর আপনাদের প্রয়োজন পড়বে প্রেজেন্টেশন এর অভিজ্ঞতা । আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে যারা ঠিকমতো প্রেজেন্টেশন করতে পারিনা ক্যামেরার সামনে গেলেই হাত-পা কাঁপতে থাকে মুখ দিয়ে আর ঠিকমতো কথা বের হতে চাই না এসব জরতা কাটাতে হবে এবং সব সময় নরমাল থাকার চেষ্টা করতে হবে যদিও প্রথম প্রথম সবার ক্ষেত্রে একই অবস্থা হয় এরপরেও চেষ্টা করবেন ভালোভাবে প্রেজেন্টেশন করার ।



অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন কিছু কমিশন হিসেবে বিক্রি করা । ধরুন আপনি একটি কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে জয়েন করেছেন সে কোম্পানিটি আপনাকে একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য দিল আপনি সে প্রোডাক্টটি 1000 টাকায় বিক্রি করলেন এর বিনিময়ে সে কোম্পানিটি আপনাকে কমিশন হিসেবে 300 টাকা দিল এটি কে মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে । এভাবে যতবার আপনি প্রোডাক্ট সেল করবেন ততবার আপনাকে সে কোম্পানিটি কমিশন হিসেবে কিছু টাকা দিবে আর এটাকে মূলত এফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে । এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনার তেমন কোনো কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ এর প্রয়োজন পড়বে না আপনার হতে যে মুঠোফোনটি রয়েছে আপনি চাইলে সেটিকে কাজে লাগিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন । এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনাদের সর্বপ্রথম যে কোন একটি কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম হিসেবে জয়েন করতে হবে এরপর সেখান থেকে এফিলিয়েট লিংক গুলো জেনারেট করে আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেলে বসিয়ে সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন । এখানে একটা কথা এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গেলে আপনাদের অবশ্যই একটি ওয়েব সাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে আপনাদের যদি ওয়েব সাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেল এই দুটোই না থাকে তাহলে আপনি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন । আর আপনি যদি এসব বিষয়ে কোন কিছু না জানেন তাহলে ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করুন দেখবেন কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়, কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবেন, কিভাবে ফেসবুক পেজ তৈরি করবেন সবকিছু আপনারা পেয়ে যাবেন এবং এরপর আপনারা সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন ।



আর্টিকেল রাইটিং করে আয় করুন

আপনি যদি লেখালেখি করতে ভালোবাসেন তাহলে এই আর্টিকেল রাইটিং করে খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে আয় করতে পারবেন । ইন্টারনেটে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে আপনি আপনার দেখা সাবমিট করে সেখান থেকে আর্ন করতে পারবেন । আপনার যদি ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি ইংরেজিতে লেখালেখি করতে পারেন আর যদি ইংরেজিতে দক্ষ তেমন একটা না থাকে তাহলে বাংলায় লেখালেখি করে আয় করতে পারেন । বর্তমানে বাংলাদেশে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে আপনি চাইলে আর্টিকেল লিখতে পারেন তার মধ্যে জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট হচ্ছে jit আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইটে লেখালেখি করে আয় করতে পারেন তবে এখানে আর্টিকেল লেখার পূর্বে আপনাদের কিছু নিয়ম মানতে হবে, এরমধ্যে কিছু নিয়ম হচ্ছে , আপনার লেখা সম্পুর্ণ ইউনিক এবং কপিরাইট মুক্ত হতে হবে , এবং লেখার সাথে একটি কপিরাইটমুক্ত ইমেজ যুক্ত করতে হবে সেই সাথে আপনার লেখাগুলো সম্পূর্ণ বাংলায় হতে হবে , এ কয়েকটি নিয়ম-নীতি আপনাদের অবশ্যই মানতে হবে । আপনি যদি তাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করেন তাহলে সেখানে দেখবেন সম্পূর্ণ গাইড লাইন দেওয়া রয়েছে, সে সমস্ত গাইড লাইন ফলো করে আপনাদের আর্টিকেল লিখতে হবে আর তা না হলে তারা আপনার আর্টিকেলটি কে পাবলিশ করবে না আর আর্টিকেল পাবলিশ না করলে তারা আপনাকে টাকা pay করবে না ।



অনলাইনে ছবি বিক্রি করে আয় করুন

আপনি কি ছবি তুলতে ভালোবাসেন, অথবা খুব সুন্দর সুন্দর ছবি তুলতে পারেন তাহলে আপনার জন্য একটি দারুণ সুখবর রয়েছে । আপনি কি জানেন আপনার এই সুন্দর ছবি তোলার অভিজ্ঞতা দিয়ে আপনি কতদূর এগিয়ে যেতে পারেন । আপনি যদি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান কিন্তু আপনার যদি কোন অনলাইনে কাজ করার মতো অভিজ্ঞতা না থাকে তাহলে আপনি আপনার ছবি তোলা অভিজ্ঞতা দিয়ে অনলাইন থেকে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে অনলাইনে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে আপনি আপনার ছবি বিক্রি করতে পারবেন । তবে এসব ওয়েবসাইটে আপনি চাইলে সব ধরনের ছবি বিক্রি করতে পারবেন না প্রথমত আপনাকে আপনার তোলা ছবিগুলো সে ওয়েবসাইটে সাবমিট করতে হবে এরপর সে ওয়েবসাইটের একটি টিম আপনার সাবমিটকৃত ছবিগুলো রিভিউ করে দেখবে তাদের কাছে যদি আপনার ছবিগুলো ঠিক মনে হয় তাহলেই তারা আপনার ছবিগুলো অ্যাপ্রুভ করবে অন্যথায় তাদের কাছে যদি আপনার ছবিগুলো ভালো না লাগে তাহলে তারা আপনার ছবিগুলো এপ্রুভড করবে না । আর এখানে একটা কথা উল্লেখ্য যে আপনার যে ছবিটি একবার এপ্রুভড হয়ে যাবে আপনি সে ছবি থেকে লাইফ টাইম এর জন্য আর্ন করতে পারবেন তাই সবসময় চেষ্টা করবেন ভালো কোয়ালিটির ছবি আপলোড করার । 


Best site for sale your image ছবি বিক্রির সেরা সাইট

অনলাইনে ছবি বিক্রি করা যায় এমন অনেকগুলো স্টক ইমেজ ওয়েবসাইট হয়েছে । আপনি চাইলে সেসব স্টক ইমেজ ওয়েবসাইটে আপনার ছবি সেল করতে পারবেন । তবে অনলাইনে ছবি বিক্রি করার সবচেয়ে সেরা যে কয়েকটি ওয়েবসাইট গুলো রয়েছে সেগুলো হচ্ছে


1. Shutterstock

2. iStock Photo

3. Getty Images

4. Adobe Stock

5. Pixieset


তবে এসব ওয়েবসাইটে আপনি যদি আপনার ছবি সেল করতে চান তাহলে আপনাদের তাদের কিছু নিয়ম-নীতি মানতে হবে, একেকটি ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে একেকটি নিয়ম রয়েছে তাই যে ওয়েবসাইটে আপনি কাজ করবেন সে ওয়েবসাইটের privacy policy এবং terms and conditions গুলো অবশ্যই দেখে নিবেন।

আশা করি আপনারা সবকিছু বুঝতে পেরেছেন এরপরেও যদি আপনাদের কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে নিচে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন । আর আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনাদের যদি একটু হলেও উপকারে আসে তাহলে অবশ্যই এটিকে লাইক এবং শেয়ার করবেন।